সময়মত পৌরকর পরিশোধ করুন, পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করুন || যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলবেন না, আপনার বাড়ী ঘর/প্রতিষ্টানের ময়লা আবর্জনা সন্ধার পর থেকে রাতের যে কোন সময় নিকটস্থ ডাষ্টবিন কিংবা একটি নিদৃষ্ট স্থানে ফেলুন || ড্রেনে ময়লা ফেলবেন না কারন তা ড্রেনের পানির প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় || বাড়ীঘর নির্মানের পূর্বে পৌরসভার অনুমোদন নিন এবং নির্মান কাজ শুরুর পূর্বে পৌরসভাকে অবহিত করুন || স্বাস্থ্য সচেতনতায় মা ও শিশুকে নিয়মিত টিকা দিন এবং ৬টি মারাত্মক রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করুন || জন্ম নিবন্ধন প্রতিটি শিশুর নাগরিক অধিকার, জন্ম ও মৃত্যু পৌরসভায় নিবন্ধন করুন || পানির অপচয় রোধ করুন, অপচয় রোধে পৌরসভাকে অবহিত করুন এবং সময়মত পানির বিল পরিশোধ করুন || শহরের যানযট নিরসনে ট্রাফিক আইন মেনে চলুন || বিষাক্ত কালো ধোঁয়া, উচ্চ শব্দের হর্ণ, মাইকের বিকট আওয়াজ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বিধায় এসব কাজ থেকে বিরত থাকুন || আপনার ব্যবসা শুরুর পূর্বে পৌরসভা হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহন করুন এবং প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করুন || পৌর এলাকার মধ্যে সকল প্রকার বিজ্ঞাপন ( সাইনবোর্ড) প্রচারের পূর্বে পৌরসভার অনুমতি নিন এবং নিয়মিত বিজ্ঞাপন কর পরিশোধ করুন || হোটেল রেস্তোরার জন্য পৌরসভা হতে ফুড প্রিমিসেস লাইসেন্স নিন এবং সিভিল সার্জন কতৃক কর্মচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ নিন || পাগলা কুকুরে কামড়ালে দ্রুত অধিক ক্ষারযুক্ত সাবান বা কাপড় কাচা সাবান দ্বারা ক্ষতস্থান ভাল করে ধুয়ে ফেলুন এবং দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন || যত্রতত্র পোষ্টার/বিজ্ঞাপন স্থাপন ও লেখনী থেকে বিরত থাকুন, শহরের সৌন্দর্য্য বজায় রাখুন || প্রচারেঃ- মেয়র, যশোর পৌরসভা
  • jessore
  • jsr_municipal3
  • jsr_municipal5
  • jsr_municipal4

ভিশন

সকল প্রকার নাগরিক সুবিধাসহ ২০২৫ সালের মধ্যে যশোর পৌরসভাকে একটি পরিবেশ বান্দব, অবকাঠামো দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ, শিক্ষা,স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসন,বিজ্ঞান সম্মত ভাবে সকল প্রকার বর্জ্য অপসারন ও ব্যবস্থাপনা,সড়কবাতি আধুনিকায়ন,সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, মাদকমুক্ত সমাজ এবং আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দক্ষ একটি পরিকল্পিত নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রেক্ষাপট

যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ । প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরীয়রা ভৈরব নদের তীরে এক সম্মৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে । আনুমানিক ১৪৫০ খ্রীষ্টাব্দের দিকে পীর খানজাহান আলী সহ বারজন আউলিয়া যশোরের মুড়লীতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রধান কেন্দ্র স্থাপন করেন । ক্রমে এ স্থানে মুড়লী কসবা নামে একটি নতুন শহর গড়ে ওঠে। ১৫৫৫ খ্রীষ্টাব্দের দিকে যশোর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ।

যশোর - খুলনা - বনগাঁ এবং কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের অংশ বিশেষ যশোর রাজ্যের অর্ন্তভুক্ত ছিল । ১৭৮১ খ্রীষ্টাব্দে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্ম প্রকাশ করে । বর্তমানে যশোর বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ইউনিট । পৃথিবীর মানচিত্রে যশোরের অবস্থান ২২° ৪৯´ উত্তর অক্ষাংশ হতে ২৩° ২৩´ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮° ৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমা হতে ৮৯° ৩৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

যশোর পৌরসভা গঠনের ইতিহাসও অতি প্রাচীন । আজ থেকে দুইশত সতের বছর আগে ১৭৯৩ খ্রীষ্টাব্দে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এক চার্টারের মাধ্যমে তৎকালীন অবিভক্ত ভারতে পৌর প্রশাসনের সুচনা হয় । প্রথমে কলিকাতা , বোম্বাই ও মাদ্রাজে পৌর প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় । আরো অনেক বছর পর আইন গত ভিত্তি দেয়ার জন্য ১৮৪২ সালে প্রথম মিউনিসিপ্যাল আইন পাশ হয় । এ আইনে কোন শহরের বাড়ীর দুই -তৃতীয়াংশ মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে টাউন কমিটি গঠনের বিধান চালু হয় ।

১৮৫০ সালে মিউনিসিপ্যাল এ্যাক্ট নামে আরেকটি আইন পাশ হয় । এ আইনে পৌরসভা গঠনের উদ্যোগ পৌরবাসীর উপর ছেড়ে দেওয়া হয় । আইনটি সারা ভারত বর্ষে প্রযোজ্য হলেও নগন্য সংখ্যক শহরে পৌরসভা গঠিত হয় । ১৮৫৬ সালে টাউন পুলিশ এ্যাক্ট পাশ হয় । এ আইনে জেলা ম্যাজিট্রেট দেরকে শহরে পঞ্চায়েত কমিটি গঠন এবং বাড়ী ঘরের উপর শতকরা ৫ ভাগ হারে কর নির্ধারনের ক্ষমতা দেওয়া হয় । করের অর্থ শহরের চৌকিদারের প্রতিপালনে ব্যয় করা হত । বাকি অর্থ কনজারভেঞ্চি ,শহরে সড়কবাতি ও উন্নয়নে ব্যয় করা হত ।

১৮৬৪ সালে বেঙ্গল কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট এ্যাক্ট পাশ হয় । আইনটি বড় বড় শহরের জন্য প্রযোজ্য ছিল । এ আইনে সরকার মনোনীত সাতজন নগর বাসীকে নিয়ে টাউন কমিটি গঠন করা হত। বিভাগীয় কমিশনার ,জেলা ম্যাজিট্রেট , সিভিল সার্জন ও নির্বাহী প্রকৌশলী পদাধিকার বলে কমিটির সদস্য থাকতেন, কমিটিকে বাড়ী ঘরের উপর শতকরা ৪ ভাগ হারে কর নির্ধারনের ক্ষমতা দেওয়া হয় । করের অর্থ রাস্তাাঘাট উন্নয়ন বিপজ্জনক অবস্থা নিয়ন্ত্রন টিকাদান , হাসপাতাল ও চৌকিদার প্রতিপালনে ব্যয় করা হত। ১৮৬৪ সালের আইনে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে ঢাকা চট্রগ্রাম ও যশোর পৌরসভা স্থাপিত হয় ।

স্বাধীনতার পর সকল পৌরসভা ভেঙ্গে দেওয়া হয় । তুলে দেয়া হয় টাউন কমিটি ও মিউনিসিপ্যাল কমিটির বিভাজন,এবং সবগুলোকে পৌরসভার মর্যাদা দেওয়া হয় । ১৯৭৩ সালে জনগনের সরাসরি ভোটে যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচন হয়। বর্তমানে যশোর পৌরসভা পরিচালিত হচ্ছে ০১ (এক) জন নির্বাচিত মেয়র, ০৯ (নয়) জন সাধারন আসনের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং ০৩ (তিন) জন সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর দ্বারা।

বিজ্ঞপ্তি


যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান নামাযের উপযোগী করার লক্ষ্যে ঠিকাদার নিয়োগের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছেঃ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান নামাযের উপযোগী করার লক্ষ্যে আগামী ৮ই এপ্রিল ২০১৮ তারিখ থেকে ঠিকাদার নিয়োগের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে। আগ্রহী ঠিকাদারগণ ১৬-০৫-২০১৮ তারিখে যশোর পৌরসভার হিসাব শাখা হতে অফিস সময়কালীন সময় সিডিউল ক্রয় করতে পারবেন।

বিস্তারিত দেখুন ............