মেয়র, যশোর পৌরসভা

স্বাগত বক্তব্য

সকল প্রকার নাগরিক সুবিধাসহ ২০২৫ সালের মধ্যে যশোর পৌরসভাকে একটি পরিবেশ বান্দব, অবকাঠামো দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ, শিক্ষা,স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসন,বিজ্ঞান সম্মত ভাবে সকল প্রকার বর্জ্য অপসারন ও ব্যবস্থাপনা,সড়কবাতি আধুনিকায়ন,সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, মাদকমুক্ত সমাজ এবং আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দক্ষ একটি পরিকল্পিত নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রেক্ষাপট

যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ । প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরীয়রা ভৈরব নদের তীরে এক সম্মৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে । আনুমানিক ১৪৫০ খ্রীষ্টাব্দের দিকে পীর খানজাহান আলী সহ বারজন আউলিয়া যশোরের মুড়লীতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রধান কেন্দ্র স্থাপন করেন । ক্রমে এ স্থানে মুড়লী কসবা নামে একটি নতুন শহর গড়ে ওঠে। ১৫৫৫ খ্রীষ্টাব্দের দিকে যশোর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ।

যশোর - খুলনা - বনগাঁ এবং কুষ্টিয়া ও ফরিদপুরের অংশ বিশেষ যশোর রাজ্যের অর্ন্তভুক্ত ছিল । ১৭৮১ খ্রীষ্টাব্দে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্ম প্রকাশ করে । বর্তমানে যশোর বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ইউনিট । পৃথিবীর মানচিত্রে যশোরের অবস্থান ২২° ৪৯´ উত্তর অক্ষাংশ হতে ২৩° ২৩´ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮° ৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমা হতে ৮৯° ৩৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

যশোর পৌরসভা গঠনের ইতিহাসও অতি প্রাচীন । আজ থেকে দুইশত সতের বছর আগে ১৭৯৩ খ্রীষ্টাব্দে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এক চার্টারের মাধ্যমে তৎকালীন অবিভক্ত ভারতে পৌর প্রশাসনের সুচনা হয় । প্রথমে কলিকাতা , বোম্বাই ও মাদ্রাজে পৌর প্রশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় । আরো অনেক বছর পর আইন গত ভিত্তি দেয়ার জন্য ১৮৪২ সালে প্রথম মিউনিসিপ্যাল আইন পাশ হয় । এ আইনে কোন শহরের বাড়ীর দুই -তৃতীয়াংশ মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে টাউন কমিটি গঠনের বিধান চালু হয় ।

১৮৫০ সালে মিউনিসিপ্যাল এ্যাক্ট নামে আরেকটি আইন পাশ হয় । এ আইনে পৌরসভা গঠনের উদ্যোগ পৌরবাসীর উপর ছেড়ে দেওয়া হয় । আইনটি সারা ভারত বর্ষে প্রযোজ্য হলেও নগন্য সংখ্যক শহরে পৌরসভা গঠিত হয় । ১৮৫৬ সালে টাউন পুলিশ এ্যাক্ট পাশ হয় । এ আইনে জেলা ম্যাজিট্রেট দেরকে শহরে পঞ্চায়েত কমিটি গঠন এবং বাড়ী ঘরের উপর শতকরা ৫ ভাগ হারে কর নির্ধারনের ক্ষমতা দেওয়া হয় । করের অর্থ শহরের চৌকিদারের প্রতিপালনে ব্যয় করা হত । বাকি অর্থ কনজারভেঞ্চি ,শহরে সড়কবাতি ও উন্নয়নে ব্যয় করা হত ।

১৮৬৪ সালে বেঙ্গল কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট এ্যাক্ট পাশ হয় । আইনটি বড় বড় শহরের জন্য প্রযোজ্য ছিল । এ আইনে সরকার মনোনীত সাতজন নগর বাসীকে নিয়ে টাউন কমিটি গঠন করা হত। বিভাগীয় কমিশনার ,জেলা ম্যাজিট্রেট , সিভিল সার্জন ও নির্বাহী প্রকৌশলী পদাধিকার বলে কমিটির সদস্য থাকতেন, কমিটিকে বাড়ী ঘরের উপর শতকরা ৪ ভাগ হারে কর নির্ধারনের ক্ষমতা দেওয়া হয় । করের অর্থ রাস্তাাঘাট উন্নয়ন বিপজ্জনক অবস্থা নিয়ন্ত্রন টিকাদান , হাসপাতাল ও চৌকিদার প্রতিপালনে ব্যয় করা হত। ১৮৬৪ সালের আইনে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে ঢাকা চট্রগ্রাম ও যশোর পৌরসভা স্থাপিত হয় ।

স্বাধীনতার পর সকল পৌরসভা ভেঙ্গে দেওয়া হয় । তুলে দেয়া হয় টাউন কমিটি ও মিউনিসিপ্যাল কমিটির বিভাজন,এবং সবগুলোকে পৌরসভার মর্যাদা দেওয়া হয় । ১৯৭৩ সালে জনগনের সরাসরি ভোটে যশোর পৌরসভার প্রথম নির্বাচন হয়। বর্তমানে যশোর পৌরসভা পরিচালিত হচ্ছে ০১ (এক) জন নির্বাচিত মেয়র, ০৯ (নয়) জন সাধারন আসনের নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং ০৩ (তিন) জন সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর দ্বারা।

বিজ্ঞপ্তি সমূহ

হোটেল রেস্তোরার জন্য পৌরসভা হতে ফুড প্রিমিসেস লাইসেন্স নিন এবং সিভিল সার্জন কতৃক কর্মচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ নিন || পাগলা কুকুরে কামড়ালে দ্রুত অধিক ক্ষারযুক্ত সাবান বা কাপড় কাচা সাবান দ্বারা ক্ষতস্থান ভাল করে ধুয়ে ফেলুন এবং দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন || যত্রতত্র পোষ্টার/বিজ্ঞাপন স্থাপন ও লেখনী থেকে বিরত থাকুন, শহরের সৌন্দর্য্য বজায় রাখুন ||

প্রচারেঃ-
মেয়র, যশোর পৌরসভা

বাড়ীঘর নির্মানের পূর্বে পৌরসভার অনুমোদন নিন এবং নির্মান কাজ শুরুর পূর্বে পৌরসভাকে অবহিত করুন || স্বাস্থ্য সচেতনতায় মা ও শিশুকে নিয়মিত টিকা দিন এবং ৬টি মারাত্মক রোগ থেকে শিশুকে রক্ষা করুন || জন্ম নিবন্ধন প্রতিটি শিশুর নাগরিক অধিকার, জন্ম ও মৃত্যু পৌরসভায় নিবন্ধন করুন || পানির অপচয় রোধ করুন, অপচয় রোধে পৌরসভাকে অবহিত করুন এবং সময়মত পানির বিল পরিশোধ করুন ||

প্রচারেঃ-
মেয়র, যশোর পৌরসভা

পৌরসভার কর্মকর্তাগণ

project-1
এস, এম, শরীফ হাসান

নির্বাহী প্রকৌশলী

ইভেন্ট সমূহ

নাগরিকদের পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা প্রদানের জন্য যশোর পৌরসভার উদ্যোগ

নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প বা সিআরডিপি এর আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় হামিদপুরে....

বিস্তারিত

যশোর পৌরসভার পয়ঃ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা

সাধারণত ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সুইপার দিয়ে বাসা বাড়ির মালিকগণ সেপটিক ট্যাংক....

বিস্তারিত

পৌরসভা পরিচালিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে টিফিন এর ব্যবস্থা

পৌরসভা পরিচালিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে টিফিন এর ব্যবস্থা ....

বিস্তারিত

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তির জন্য মহিলাদের মধ্যে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তির জন্য মহিলাদের মধ্যে স্বাস্থ্য কার্ড ....

বিস্তারিত

প্রশিক্ষন শেষে সেলাই মেশিন বিতরণ করছেন মেয়র মহোদয়

প্রশিক্ষন শেষে সেলাই মেশিন বিতরণ করছেন মেয়র মহোদয়....

বিস্তারিত

জেন্ডার একশন প্লান (গ্যাপ) বাস্তবায়ন

মহিলাদের কর্ম সংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণ সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্ভোধন....

বিস্তারিত

ভিক্ষুকমুক্ত পৌরসভা গড়ার জন্য ৭০ জন ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান

ভিক্ষুকমুক্ত পৌরসভা গড়ার জন্য ৭০ জন ভিক্ষুকের কর্মসংস্থান ....

বিস্তারিত